ঢাকা, শুক্রবার   ২০ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৯

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:২৫, ২৯ জানুয়ারি ২০২২  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আড়াই মাস পলাতক থাকার পর করিমগঞ্জের চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামী ফাইজুলকে গ্রেফতার করেছে করিমগঞ্জ থানা পুলিশ। রাজধানী ঢাকার বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে গত ২৮ জানুয়ারি, শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করি।

গেল বছর ৩ নভেম্বর রাতে উপজেলার দেহুন্দা ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রী মাইশা আক্তার (১৬) কে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নিহতের মা স্বপ্না আক্তার ও ঘাতক ফাইজুল। ঘটনার পরদিন মা স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিকে ঘাতক ফাইজুল ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইন-চার্জ (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, আসামী স্বপ্না আক্তারের বাড়িতে তার ফুফাতো ভাই ফাইজুল আত্মীয় সূত্রে যাওয়া আসা করত। একসয় তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে। এদিকে ফাইজুল তার ভাগ্নি মাইশাকেও নিয়মিত মাদ্রাসায় পৌছে দিত। সেই সুবাদে ভাগ্নি মাইশার সাথেও ফাইজুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। মায়ের সাথে প্রেমিক ফাইজুলের পরকীয়ার সম্পর্কের কথা মেয়ে মাইশা জেনে যায়, অপরদিকে মেয়ে মাইশার সাথে ফাইজুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠার খবরও মা স্বপ্না আক্তার জানতে পারে। এ নিয়ে ঘটনার দিন রাতে ফাইজুল ও স্বপ্না আক্তারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। ”পরদিন মাইশা যদি আমাদের সম্পর্কের কথা লোকজনের কাছে প্রকাশ করে দেয় তাহলে চরম বিপদ হতেপারে” কথা কাটাকাটির এক ফাঁকে স্বপ্না ফাইজুলকে এ কথা জানায়। তাদের পরকীয়ার কথা যাতে অন্যেরা জানতে না পারে, সেজন্যে উভয়ই মাইশাকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। সেমতে উভয়ই মিলে মাইশাকে ঘুমের ঘরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। ঘটনার দিন রাতেই ঘাতক ফাইজুল পালিয়ে গিয়ে পলাতক থাকে। তিনি আরও বলেন, মামলার এজাহারে থাকা আসামী ফাইজুল পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে ফাইজুলকে আমরা গ্রেফতার করি। সে চামটা ববন্দর গ্রামের আশ্রব আলীর ছেলে।

সারাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়