ঢাকা, শুক্রবার   ২০ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৯

শেখ হাসিনা`র কারণে উত্তরবঙ্গে `মঙ্গা` শব্দটি আজ নিশ্চিহ্নঃ শেখ পরশ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৪২, ২৯ জানুয়ারি ২০২২  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কোন অজানা কারণে কখনোই উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ব্যাপারে আগ্রহ দেখায় নাই অতীতের কোন সরকার। শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সরকারই উত্তরবঙ্গের মানুষের কথা চিন্তা করেন। তাদের সুখ-শান্তি ও জীবনমান উন্নয়নের কথা ভাবেন। একমাত্র শেখ হাসিনা'র কারণেই উত্তরবঙ্গে মঙ্গা শব্দটি আজ নিশ্চিহ্ন। আজ ২৮ জানুয়ারি, শুক্রবার, বনানী মডেল স্কুল মাঠে অসহায়-দুঃস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ এ কথা বলেন। এসময় রংপুর বিভাগের ৯টি জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের কাছে রংপুর অঞ্চলের শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বল হস্তান্তর করা হয়। বনানী মডেল স্কুল মাঠে প্রায় ১০০০ অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করে যুবলীগ।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন-‘সোনার বাংলা’ কায়েম করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের এই জানুয়ারি মাসেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এনেছিলেন। যেটা ‘দ্বিতীয় বিপ্লব’ হিসেবে পরিচিত, অনেকে “বাকশাল” হিসাবেও জানে। কিন্তু আমরা ভুলে যাই এই দ্বিতীয় বিপ্লবের অন্তর্মূলের তাৎপর্য। এর মূলে ছিল মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায় করা, ন্যায়পরায়ণ সমাজব্যবস্থা কায়েম এবং মানবিকতা। আমরা চতুর্থ সংশোধনী বা বাকশাল নিয়ে কেউ কেউ বিব্রত বোধ করি, কেউ কেউ এড়িয়ে যেতে চাই। কিন্তু বিষয়টি পাশ কাটিয়ে যাওয়ার বিষয় না। আমি এই বিষয়টা নিয়ে আজকে কিছু কথা বলবো। দ্বিতীয় বিপ্লব আমাদের ইতিহাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রথমত, বঙ্গবন্ধু বাকশাল, বা তাঁর দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন জাতীয় সংসদের বিপুল ভোটে পাশ করে। সামরিক ফরমান জারি করেও করেন নাই, বা “হ্যাঁ-না” ভোটের মাধ্যমেও করেন নাই। বঙ্গবন্ধু বাকশাল গঠন করার কারণও ব্যাখ্যা করেছিলেন, তিনি বলেছিলেন-“ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস, সারা জীবন গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করলাম, কত জেল খাটলাম, আর এখন এক পার্টি করতে যাচ্ছি।....আমি এটা চাইনি। বাধ্য হয়ে করতে হচ্ছে। অন্য কোন পথ খোলা না দেখে আমি স্বাধীনতার পক্ষের লোকদের নিয়ে সমমনাদের একটি রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে বাকশাল গঠন করেছি। আমি সমাজতন্ত্রবিরোধী, ধর্মনিরপেক্ষতাবিরোধী এবং সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোন দল বা ব্যক্তিকে বাকশালে নেব না। আরো একটি কথা, ্আমার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য নয়, দেশকে বাঁচানোর জন্য এই পদক্ষেপ। আমি ক্ষমতা অনেক পেয়েছি, এমন আর কেউ পায়নি। সেই ক্ষমতা হলো জনগণের ভালোবাসা ও নজিরবিহীন সমর্থন।....আমার এই একদলীয় ব্যবস্থা হবে সাময়িক। দেশটাকে প্রতিবিপ্লবের হাত থেতে রক্ষা করে আমি আবার গণতন্ত্রে ফিরে যাব। মনে রাখতে হবে, বিশ্ব এখন দুই ভাগে বিভক্ত; শোষক আর শোষিত। চেষ্টা করব আমার গণতন্ত্র যেন শোষকের গণতন্ত্র না হয়। আমার দুঃখী মানুষ যেন গণতন্ত্রের স্বাদ পায়। আমার গণতন্ত্র পশ্চিমা গণতন্ত্রের মতো বৈষম্যমূলক এবং শোষণের হাতিয়ার হবে না।” শোষিতের গণতন্ত্রই ছিল বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য-এ কথাতো তিনি নিজেই বলেছেন। শোষিতের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এটা ছিল তাঁর দ্বিতীয় বিপ্লব। তাঁকে হত্যা করার পর বিবিসি এক সংবাদ ভাষ্যে বলেছিল: “পৌনে দুই’শ বছরের ইংরেজ ঔপনিবেশিক শাসনের পর এই প্রথম শেখ মুজিব এক নতুন ধরণের স্থানীয় সরকারভিত্তিক শাসনকাঠামো গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

শেখ মুজিব কি কখনো রাজনৈতিক মিথ্যাচার, শঠতা ও চাণক্যনীতির আশ্রয় নিয়েছেন? না, কেউ তা বলতে পারবে না। তাহলে গুরুতর অন্তর্ঘাতমূলক অবস্থার প্রেক্ষাপটে তাঁর নেওয়া একটা দুঃসহ অবস্থা মোকাবিলার সাময়িক ব্যবস্থা নিয়ে যারা তাঁকে সন্দেহ করে এবং ভুল বুঝে, দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তাদের ত্যাগ কতটুকু? আজীবন সংগ্রামী শেখ মুজিবের চেয়েও বেশি?

এছাড়া ঐ সময়ে বিশ্বপরিস্থিতিতে এ ধরণের নিয়ন্ত্রণমূলক ও স্থিতিশীল পরিবেশে অর্থনৈতিক বিকাশের ব্যবস্থা তো অনেক দেশেই ছিল। অতএব, বঙ্গবন্ধু যদি ঐসব দেশের অনুকরণে বাকশাল গঠন করে দ্রুত আর্থিক বিকাশ ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক সমাধান সৃষ্টি করতে চেয়ে থাকেন, তাহলে তো তাঁকে দোষ দেওয়া যায় না। তিনি যা করেছিলেন, তা সাংবিধানিকভাবেই করেছিলেন। তিনি যেটা করেছিলেন সেটা মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায় করার জন্য করেছিলেন, ন্যায়-পরায়ণ সমাজ ব্যবস্থা সৃষ্টির জন্য করেছিলেন এবং মানবিকাতার জন্য করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর মানবিকতা প্রতিষ্ঠার অন্যতম সহযোগী ছিলেন শেখ ফজলুল হক মণি। তিনি তাঁর অজ¯্র লেখায় যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত শ্রেণীর মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা তুলে ধরেছিলেন ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সচেষ্ট হয়েছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর গৃহীত নতুন পদক্ষেপ বা দ্বিতীয় বিপ্লব বাস্তবায়িত হওয়ার পূর্বেই একদল খুনি, ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণিকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে অমানবিক, সন্ত্রাসী ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রে প্রতিবিপ্লবীদের উত্থান এবং ষড়যন্ত্র সম্পর্কে শেখ মণি আঁচ করতে পেরেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুকে সতর্ক করেছিলেন।

তিনি যুবলীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন-বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠকন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিয়ে মানবিক বাংলাদেশের চেতনাকে পুনরোজ্জীবিত করেন। বিশ্বের অন্যতম সৎ, দক্ষ ও সেরা প্রধানমন্ত্রীর স্বীকৃতিসহ তিনি অর্জন করেন ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’, ‘বিশ্বমানবতার নেতৃত্ব’, ‘সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিক নেতা’, ‘মানবতার চ্যাম্পিয়ন’ এবং অনেক মর্যাদাপূর্ণ বিশেষণ। তাঁর উন্নয়ন তত্ত্ব এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রিয় বাংলাদেশও অর্জন করেছে সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি। বর্তমান যুবলীগের অন্যতম লক্ষ্য রাষ্ট্রের মানবিক ধারাকে গতিশীল করতে নেতৃত্ব দেওয়া এবং ষড়যন্ত্রকারী ও প্রতিবিপ্লবীদের প্রতিহত করে মানুষের সুখে-দুঃখে সহমর্মী হওয়া। এ লক্ষ্যে যুবলীগ ইতোমধ্যে অনেক মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে ‘মানবিক যুবলীগ’-এ পরিণত হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি রংপুরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন-বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে রংপুরকে বাংলাদেশে ৭ম প্রশাসনিক বিভাগ হিসাবে মর্যাদা দিয়েছেন। ৮টি জেলা, মোট ৩৩টি নির্বাচনী আসন নিয়ে আমাদের রংপুর বিভাগ। রংপুর বিভাগীয় সদর দপ্তর সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন। এই বিভাগীয় সদর দপ্তরে প্রতিবন্ধিসহ সাধারণ জনগণ অনন্য সেবা পাচ্ছেন। একইে বলে মানবিকতা। রংপুর বিভাগকে একসময় মঙ্গা কবলিত ও পশ্চাদপদ ভাবলেও গত ১৩ বছরে সে অবস্থার যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটেছে। রংপুর বিভাগ এখন খাদ্য-শষ্য উদ্বৃত্ত একটি অঞ্চল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য নেতৃত্বে ও দিকনির্দেশনার ফলে আজ এই বিভাগের অভাব দুর হয়েছে। সৈয়দপুর বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করা হচ্ছে এবং ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ পাইপ লাইন এর কাজ চলছে। এই সকল কাজ রংপুর বিভাগের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। রংপুর বিভাগ বিগত ১৩ বছরে পেয়েছে এক অনন্যরূপ। উন্নয়নের জয়যাত্রায় সমৃদ্ধ হয়েছে রংপুর বিভাগবাসী। আপনাদের এই কথাগুলো জনগণকে বলতে হবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় রংপুরের উন্নয়নের দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। একসময়ের মঙ্গা-পীড়িত উত্তরাঞ্চল এখন সমৃদ্ধ জনপদ। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপের ফলে, ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত রংপুরে কোন মঙ্গা ছিল না। আল্লাহর রহমতে আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর রংপুরে আর মঙ্গা দেখা দেয় নাই, দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় নাই, মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এখন উদ্বৃত্ত খাদ্যের অঞ্চল হয়ে গেছে রংপুর। যেখানে একসময় খাবারের অভাবে মানুষ মারা যেত। কিন্তু এখন যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়নও হয়েছে।

সব উন্নয়নই নির্ভর করে একটা সরকারের চিন্তার উপর, পরিকল্পনার উপর। আওয়ামী লীগ জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন। সব সময় জাতির পিতা চিন্তা করেছে এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই পথ অনুসরণ করে চলেছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যার লক্ষ্য একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, ভূমিহীন থাকবে না, বিশেষ করে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ভূমিহীন মানুষ ছিল এবং দুর্ভিক্ষ কবলিত লোক ছিল। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধুকন্যা জাতির পিতার গুচ্ছগ্রাম, আদর্শগ্রম এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ করে চলেছে সরকারের তরফ থেকে। আমরা যুবলীগ স্বল্প পরিসরে এই কর্মসূচিতে শরিক হওয়ার চেষ্টা করেছি। আমি আহ্বান জানাতে চাই আপনাদেরকে, আপনারা খুুঁজে দেখুন কোন ভূমিহীন লোক আছে কি না, আপনাদের নিজ নিজ এলাকায়। থাকলে তাদের তালিকা করে আমাদের দিন। আমরা তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দিব। বঙ্গবন্ধুকন্যার এটা অঙ্গীকার যে, এদেশে কোন ভূমিহীন লোক থাকবে না। পাশাপাশি দারিদ্র বিমোচন হবে। এই ১৩ বছরে রংপুরে যে উন্নয়ন হয়েছে তা দৃষ্টান্তমূলক।

আজকে বাংলাদেশ আর পিছিয়ে নাই। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ক্ষুধা, দারিদ্রমুরক্ত বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য। আর কখনো মঙ্গা যেনও দেখা না দেয়, দুর্ভিক্ষ যেন দেখা না দেয়, এদেশে মানুষ আর কোনদিন যেন কষ্ট না পায় সেটাই আমরা নিশ্চিত করতে চাই। ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইস্তেহারে যে সকল ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল প্রত্যেকটি আজ পূরণ হয়েছে। আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের এখন লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হবে। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা আর কেউ নস্যাৎ করতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েই আজকে আমাদের এই উন্নয়ন, এই বার্তা রংপুরবাসীকে আপনারা পৌঁছে দিবেন, তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিবেন।

যুবলীগের নেতা-কর্মীরা মানুষের পাশে থাকবে, এটাই আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা। প্রতিটি মানুষের যেন জীবনের উন্নতি হয়, প্রতিটি ছেলে-মেয়ে লেখা-পড়া শিখে মানুষ হয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেনও সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে, উন্নত জীবন পায়, সেটা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। যেই উন্নত জীবন মানবিকতা বিবর্জিত নয়, বরঞ্চ একাটা ন্যায় পরায়ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমাদের নতুন প্রজন্ম গণমানুষের ন্যায্য অধিকার সংরক্ষণে বিপ্লবী ভূমিকা রাখবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এভাবেই বাংলার আপামর জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটা নববিপ্লবের সূচনা করবে আমাদের প্রগতিশীল যুবসমাজ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন-যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম মোঃ আহসানুল হক চৌধুরী এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, মোঃ রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোঃ মাজহারুল ইসলাম, মোঃ সোহেল পারভেজ, প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল কবির, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন পাভেল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম অনিক, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক এ্যাড শেখ মোঃ নবীরুজ্জামান বাবু, উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সফেদ আশফাক আকন্দ তুহিন, উপ-স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মাহফুজুর রহমান উজ্জ্বল, সহ-সম্পাদক জামির আহমেদ, মোঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ আজিজুর রহমান সরকার, মোঃ আলমগীর হোসেন শাহ জয়, মোঃ রাশেদুল ইসলাম সাফিন, মোঃ মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ, কার্যনির্বাহী সদস্য এ্যাড. মোঃ নাজমুল হুদা নাহিদ, মোঃ আব্দুর রহিম ভূইয়া, প্রফেসর ড. ইঞ্জি. তানভীর ফেরদৌস সাইদ, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আসাদুল্লা তুষার, ড. মোঃ রায়হান সরকার নিজভীসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়